Breaking News

এফএকিউ

সচরাচর জিজ্ঞাস্য


একনজরে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি এখানে সে বিষয়গুলো দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। প্রশ্নের তালে তালে উত্তরগুলো দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। অনুসন্ধানী ব্যক্তিবর্গ এই জিজ্ঞাসা থেকে বিডি এ্যাম্বুলেন্স সংক্রান্ত তথ্যগুলো দেখে নিতে পারবেন।

  • আমরা কি করি?
  • সেবা সমূহ কি কি?
  • জরুরি এ্যাম্বুলেন্স পেতে যা করনীয়
  • এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া কেন বেশী হয়?
  • কোনভাবে এ্যাম্বুলেন্স বুক করা যায়?
  • ভাড়ার নিয়ম কি?
  • জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ কি ?
আমরা কি করি?

আমাদের প্রধান সেবা সকল ধরণের এ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করা। তবে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আমরা কিছু মেডিক্যাল তথ্য দিয়ে বিডি এ্যাম্বুলেন্স পাঠকদের সহযোগিতা করতে চেষ্টা করেছি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, দেশের প্রায় সকল ধরণের ডাক্তার, হাসপাতাল, ক্লিনিক, ট্রেনের শিডিউল, রক্তের যোগাযোগ মাধ্যম, পুলিশ ষ্টেশন ও অফিসার ইনচার্জ এর ফোন নম্বর, ২৪ ঘন্টা মেডিসিন পাওয়া যায় এমন সব তথ্যসহ সংশ্লিষ্ট অনেক কিছু। যা একজন পাঠকের উপকারে আসতে পারে বলে বিডি এ্যাম্বুলেন্স বিশ্বাস করে। তবে আমাদের মূল কাজের অংশ হল, দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে রোগী বহনকারী বাহন অর্থাৎ এ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করা। একটি দেশের রোগী যাতায়াতের সর্বোচ্চ মাধ্যম এই এ্যাম্বুলেন্স। এ্যাম্বুলেন্স মূলত পাচ শ্রেণীর হয়ে থাকে। তারমধ্যে এসি, নন- এসি, লাশবাহি, আই সি ইউ বা কার্ডিয়াক ও এয়ার এ্যাম্বুলেন্স। বিডি এ্যাম্বুলেন্স দেশের সিটিজেনদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাণিজ্যিক ভাবে এই সেবা প্রদান করে থাকে।

সেবা সমূহ কি কি?

নন-এসি (শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত এমন নয় অ্যাম্বুলেন্স), এসি (শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত অ্যাম্বুলেন্স), ফ্রিজার ভ্যান (লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স), আইসিইউ (লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স) সহ সাধারণ গাড়ীর মাধ্যমে সেবা প্রদান করা হয়।
নন-এসি (শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত এমন নয় অ্যাম্বুলেন্স)
সাধারণ পরিবহনের মত তবে অ্যাম্বুলেন্স সুবিধা আছে কিন্তু শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত নয় এমন অ্যাম্বুলেন্স। খুব গুরুত্বপূর্ণ নয় অথবা সাধারণ জখম প্রাপ্ত রোগীরা এই অ্যাম্বুলেন্স এর মাধ্যমে সেবা গ্রহন করে থাকে।
এসি অ্যাম্বুলেন্স (শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত অ্যাম্বুলেন্স)
রোগীর শরীর শীত প্রবাহ গ্রহণ করতে সক্ষম অর্থাৎ অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যম্যে শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিন করা যায় এমন গাড়িতে রোগীরা এই সেবা নিয়ে থাকে।
আইসিইউ (লাইফ সাপোর্ট)
যে রোগীদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকে, গুরুতর শ্বাসকষ্ট ছাড়া বিভিন্ন রোগে ক্রিটিক্যাল অবস্থায় থাকে তাদের ক্রিটিকাল কেয়ার ডিপার্টমেন্টের ডাক্তার অথবা ব্রাদারের সহায়তায় রোগীকে নিবিড় পরিচর্যার সকল ধরনের যন্ত্রপাতির সমন্বয়ে গঠিত এই অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে এই সেবা প্রদানের ব্যবস্থাপনাকে আইসিইউ/কার্ডিয়াক/পিসিইউ/এনাইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স বলা হয়ে থাকে।
ফ্রিজার ভ্যান (লাশবাহী)
এই অ্যাম্বুলেন্স মূলত মাইনাস ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় নিয়ন্ত্রিত। সাধারণত লাশের দেহ দীর্ঘসময় সংরক্ষণ বা দূরবর্তী এলাকাতে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই সেবার প্রয়োজন হয়ে থাকে। তবে গ্রীষ্মপ্রধান বাংলাদেশে মৃতদেহ দূরে নিয়ে যাওয়াটা অনেক সময় বেশ ঝক্কির ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। এক্ষেত্রে ফ্রিজার ভ্যান বেশ সহায়ক। প্রতিটি ভ্যানে সর্বোচ্চ দুটি মৃতদেহ বহন করা যায়। সিঙ্গেল ডেকর যানের সাথে চালকের পাশে একজন এবং ডাবল ডেকর যানের সাথে অতিরিক্ত আরও দুইটি আসনের ব্যবস্থা আছে।
এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
রোগী স্থানান্তরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স। হেলিকপ্টার বা বিমানে সাধারণতঃ একই ধরনের যন্ত্রপাতিতে সাজানো থাকে যা ভূমিতে ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্সের অনুরূপ।এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য এই প্রতিষ্ঠান অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে সার্ভিস হায়ার করে দেয়। ফলে নিজস্ব কোন সুবিধা উল্ল্যেখ করার সুযোগ নাই। তবে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের যে ব্যবস্থা থাকে তা মূলতঃ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ভিতরে পাইলটসহ একজন এবং রোগীর সাথে ডাক্তার ও একজন সহকারী আসনের ব্যবস্থা আছে। দিন তারিখ সময় অনুপাতে ব্যবস্থাপনার সুযোগ তৈরি হয়। বাংলাদেশীদের জন্য বেশ ব্যয়বহুল এই অ্যাম্বুলেন্স সেবা।

জরুরি এ্যাম্বুলেন্স পেতে যা করনীয়

– সম্ভব হলে সংশ্লিষ্ট ডাক্তারের সাথে কথা বলে রোগীর অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে স্থান্তান্তর লাগবে কি না তা নিশ্চিত হওয়া।
– ২৪ ঘণ্টাই রোগীদের সেবা দেয় এমন কোন অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের সচল ফোন নম্বর সংগ্রহে রাখা।
– অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের সংগ্রহে থাকা নম্বরে যোগাযোগ করে রোগীর অবস্থান ও স্থানান্তরের জায়গা (হাসপাতাল, ক্লিনিক, বাসা, ফ্যাক্টরি বা অন্যকোন স্থান) নাম জানানো।
– মুলতঃ নন-এসি, এসি, ফ্রিজার ভ্যান, লাইফ সাপোর্ট ICU গাড়ী, এয়ার সার্ভিস অ্যাম্বুলেন্স হয়ে থাকে। তাই নির্ধারণ করা কোন সার্ভিস রোগীর জন্য প্রয়োজন। সেই মোতাবেক সার্ভিস চার্জ নির্ধারণ হবে।
– সার্ভিস বা সেবা গ্রহনের পুর্বেই সার্ভিস চার্জ জেনে নেয়া।
– রোগীর সঙ্গিয় কাগজপত্র বা আনুসাঙ্গিক প্রয়োজনীয় জিনিস-পত্র সংগ্রহে রাখা। রোগীর সাথে যে এটেন্ডেন্ট থাকবে তার প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র সংগ্রহে রাখা।
– অ্যাম্বুলেন্স নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হলে তৎক্ষণাৎ অ্যাম্বুলেন্স এর অবস্থান জানা।
– অ্যাম্বুলেন্স এর ড্রাইভার ও সহযোগীর ফোন নম্বর সংগ্রহে রাখা। এবং তাদেরকে রোগীর অবস্থান সম্পর্কিত তথ্য দিয়ে দেয়া।
– অতপরঃ সার্ভিস নেয়া সম্পূর্ণ হলে অ্যাম্বুলেন্স মালিককে বা প্রতিষ্ঠানকে অবগত করা।

এ্যাম্বুলেন্স ভাড়া কেন বেশী হয়?

একটু গভির ভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে সাধারণ যানের চেয়ে এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া তেমন বেশি নয়। সাধারণ একটি হাইএইচ মাইক্রো বাসের চালক থাকে একজন। একই যানে অ্যাম্বুলেন্সের সুবিধায় গাড়ির চালক হতে হয় ২ জন। সাধারণ যানে কোন হেল্পার বা সহকারীর প্রয়োজন থাকে না। কিন্তু অ্যাম্বুলেন্স যানে একজন সহকারী থাকা আবশ্যক রোগী স্থানান্তরে সমস্যা হয়। সাধারণ যান একটি স্থানে ভাড়া বা ট্রিপ নিয়ে গেলে আসার সময় অন্যযাত্রী বহনের জন্য উন্মুক্ত থাকে। প্রয়োজনে অপেক্ষা পুর্বক নতুন ভাড়া নিয়ে আসতে পারে। কিন্তু অ্যাম্বুলেন্স যানে তা সম্ভব নয়। অ্যাম্বুলেন্স একটি গন্তব্যে পৌঁছে তাকে ফিরে আসা বাধ্যতামূলক। সুতরাং ড্রাইভার, হেল্পার, গাড়ির খরচ এমনিতেই অনেক বেশি হয়। এছাড়াও সরকারের অর্থ কোষাগারে অন্যান্য যানের মতই অ্যাম্বুলেন্সের ব্যয়ভার সমান। যেমন; নিবন্ধন ফি, ট্যাক্স, ফিটনেস, ইনস্যুরেন্স, সেতু টোল ইত্যাদি। সার্বিক দিক যোগ বিয়োগ করলে অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া সাধারণ যানের মতই।

কোনভাবে এ্যাম্বুলেন্স বুক করা যায়?

খুব সহজ উপায়ে সাইটে থাকা ফর্ম পূরণ অনুযায়ী প্রয়োজন মোতাবেক একটি এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস নির্ধারন করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে ফর্মের শুরুতে নাম, সার্ভিস সনাক্তকরণ, কোথা থেকে এবং কোন স্থান পর্যন্ত, কোন তারিখ কোন সময়ে যাত্রা হবে সেটি পূরণ করে মোবাইল ফোন নম্বর দিতে হবে। পাশে বিকল্প একটি নম্বর অবশ্যই দিতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, সম্মানিত ক্লায়েন্ট এর নেট জনিত সমস্যা, চার্জ না থাকা বা অন্য ফোনে কথা বলার কারনে একটি নম্বরে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে উল্লিখিত সেবাটি দিতে বা নিতে সমস্যা হয়ে যায়। রোগীও প্রয়োজনীয় এ্যাম্বুলেন্স সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। সেদিক বিবেচনা করে অভিজ্ঞতার আলোকে এই বিকল্প নম্বর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফর্ম পূরণ শেষে সাবমিট বাটনে ক্লিক করলেই সাকসেসফুল ম্যাসেজ দেখাবে। তার মানে অর্ডারটি সঠিকভাবে দেয়া সম্ভব হয়েছে। কিছু সময়ের মধ্যে বিডি এ্যাম্বুলেন্সের প্রতিনিধি প্রদত্ত নম্বর কল দিয়ে বাকিটা নিশ্চিত করে নেবেন। এছাড়াও পেজে থাকা নম্বরে কল দিয়ে এ্যাম্বুলেন্স বুক করা সম্ভব। এছাড়াও নিচে দেয়া তথ্য অনুযায়ী একজন ব্যক্তি সেবাগুলো নিতে পারবেন।
অনলাইন বুকিং
বিডি এ্যাম্বুলেন্স একটি বাংলাদেশী এ্যাম্বুলেন্স বুকিং প্লাটফর্ম। অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন সবচেয়ে কম মূল্যে সেবা নিশ্চয়তা রয়েছে এখানে। যেকোন বাংলাদেশী সিটিজেন ওয়েব সাইট, হোয়াটস এপ, উইচ্যাট বা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ্যাম্বুলেন্স বুক করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আমাদের সাপোর্ট তার সাথে যতদ্রুত সম্ভব যোগাযোগ করবেন।
অফলাইন বুকিং
বিডি এ্যাম্বুলেন্স একটি বাংলাদেশী এ্যাম্বুলেন্স বুকিং প্লাটফর্ম। অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন সবচেয়ে কম মূল্যে সেবা নিশ্চয়তা রয়েছে এখানে। যেকোন বাংলাদেশী সিটিজেন ল্যান্ডফোন, মোবাইল ফোনে এ্যাম্বুলেন্স বক করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আমাদের সাপোর্ট তার সাথে যতদ্রুত সম্ভব যোগাযোগ করবেন।
ম্যাসেজ বুকিং
বিডি এ্যাম্বুলেন্স একটি বাংলাদেশী এ্যাম্বুলেন্স বুকিং প্লাটফর্ম। অভিজ্ঞতা সম্পুর্ন সবচেয়ে কম মূল্যে সেবা নিশ্চয়তা রয়েছে এখানে। যেকোন বাংলাদেশী সিটিজেন যেকোন ধরণের মেসেজের মাধ্যমে যোগাযোগ করে এ্যাম্বুলেন্স বুক করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আমাদের সাপোর্ট তার সাথে যতদ্রুত সম্ভব যোগাযোগ করবেন।
রেফারেন্স বুকিং
যেকোন পরিচিত অপরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে এ্যাম্বুলেন্স বুক করতে পারবেন।

ভাড়ার নিয়ম কি?

অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বা নির্ধারিত ফোন নম্বরে ফোন অথবা অনলাইনের মাধ্যমে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করা যায়। ফোন করে ঠিকানা জানালে অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছে যায়। যেকোন সময়ই অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করা যায়। এই প্রতিষ্ঠানটি রোগীদের সেবায় ২৪ ঘন্টাই সার্ভিস দিয়ে থাকে। হরতাল, অবরোধ ও অন্যান্য সরকারী ছুটির দিনগুলোতে ভাড়ার হারের সামান্য তারতম্য হতে পারে। তবে এ জাতীয় বিষয় দেখা দিলে ভাড়া নেবার পুর্বেই বিষয়টি অবগত করে সম্মতি সাপেক্ষে নিশ্চিত করা হয়। বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এ্যাম্বুলেন্সের মোট ভাড়ার থেকে ২০% (শতাংশ) অগ্রিম নেয়া হয়। তবে জরুরি বা অর্থনৈতিক সমস্যায় কোন অগ্রিম টাকা নেয়া হয় না। এছাড়া দুঃস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে বিবেচনা পুর্বক ভাড়া নির্ধারন করা হয়। প্রয়োজনে ফ্রী তে অর্থাৎ বিনামূল্যে সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ কি ?

নাগরিকদের জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিতে উন্নত দেশগুলোর মতো জাতীয় ভাবে ন্যাশনাল ইমারজেন্সি সার্ভিস (৯৯৯) সেবা চালু করেছে সরকার। বাংলাদেশ পুলিশের পরিচালনায় এই সেবা দেশব্যাপী নিশ্চিত করতে সক্ষম। তাৎক্ষণিক পুলিশি সেবা, তাৎক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স সেবা ও ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল সার্ভিস সেবা এই ৯৯৯ এর মাধ্যমে প্রদান করে থাকে। যেকোন ফোন থেকে বিনা খরচে ৯৯৯ এ কল দেয়া যায়। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ উদ্ভাবিত পাইলট কর্মসূচির মাধ্যমে শুরু হওয়া কার্যক্রমটি আজ পুর্নাঙ্গভাবে বাংলাদেশ পুলিশের কমান্ড সেন্টার থেকে পরিচালিত হচ্ছে।


জরুরি যোগাযোগ

২৪/৭ পেইড কল
+৮৮ ০১৯ ২৬ ১১ ১১ ৫৫


অনলাইন যোগাযোগ

হোয়াটস অ্যাপ কল ২৪/৭
+৮৮ ০১৯ ৩৭ ১১ ১১ ৫৫


কর্পোরেট কল

অফিস সময়ের মধ্যে কল দিন
+৮৮০ ১৬২৩ ৯২ ৯২ ৯২


ফেজবুক যোগাযোগ

মেসেঞ্জার বা কমেন্টের মাধ্যমে যোগাযোগ করুন

BD-AMBULANCE-LOGO-WHITE

আমাদের প্রধান সেবা সকল ধরণের এ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করা। তবে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আমরা কিছু মেডিক্যাল তথ্য দিয়ে বিডি এ্যাম্বুলেন্স পাঠকদের সহযোগিতা করতে চেষ্টা করেছি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, দেশের প্রায় সকল ধরণের ডাক্তার, হাসপাতাল, ক্লিনিক, রক্ত প্রাপ্তির মাধ্যম...

চিঠি প্রেরনের ঠিকানা

স্যাম ইনো কর্পোরেশন

৪৩ কলেজ এরিয়া

ধানমন্ডি ১, ঢাকা-১২০৫

বাংলাদেশ

হট লাইন

info@bdambulance.com

+৮৮০ ১৬ ২৩ ৯২ ৯২ ৯২
+৮৮০ ১৩ ১৩ ৯৮ ৭৭ ০০
+৮৮০ ১৯ ৩৭ ১১ ১১ ৫৫

© ২০২০ বিডি এ্যাম্বুলেন্স । সকল তথ্য সংরক্ষিত

Book Ambulance
close slider

    Book Ambulance

    Name*

    Service Type*

    From (Location)*

    To (Location)*

    Date

    Time (Exm. 12:00AM)

    Mobile Number*

    Alternative Mobile Number*